ব্যয় সংকোচনে আরও কঠোর হচ্ছে সরকার।
এরইমধ্যেই নানা ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে; জুলাই মাস থেকে আরও সংকোচনের
পথে হাঁটবে অর্থ বিভাগ। শুধু বিদেশ ভ্রমণই নয়, বড় অফিস, অপ্রয়োজনীয় এসি,
দীর্ঘ সেমিনারসহ নানা ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আনা হবে। বিশ্লেষকরা বলছেন,
সরকারের প্রতিটি ব্যয় নিরীক্ষা দরকার। খরচ কমানোর জন্যে, নতুন প্রকল্প
গ্রহণ নিরুৎসাহিত করছেন, পরিকল্পনামন্ত্রী। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের
উপদেষ্টা আকবর আলি খান বলেন, অপ্রয়োজনী ব্যয় হ্রাস করতে হবে। একই ব্যয়
কিন্তু আমরা গত কয়েক বছর ধরে করে আসছি। সে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় হ্রাস করতে হলে
সরকারের প্রতিটি ব্যয় পুনঃনিরীক্ষা করে কতটুকু খরচ করা যাবে আর কতটুকু খরচ
করা যাবে না, তা নির্ধারণ করতে হবে। বাস্তবায়ন করার জন্য যে সুদৃঢ় প্রশাসন
পরিচালনা করতে হবে, তা বাংলাদেশে সম্ভব হবে কিনা সেটাই প্রশ্ন।
মোট বাজেটের তুলনায় সরকারি ব্যয় তেমন বড় না হলেও বরাদ্দ ব্যবহারে আরও সতর্ক হওয়া দরকার। বলা হচ্ছে, প্রতিটি ব্যয় খতিয়ে দেখা উচিৎ।
সেন্টার
ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানিত ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সরকারি ব্যয়
জিডিপির নিরিখে খুব একটা বড় না। অভ্যন্তরীণ সঞ্চয় আহরণ কীভাবে বেশি করা
যায়, এ বিষয়ে নজর দেয়ার কথা বলেন তিনি।
Monday, June 13, 2022
Author: md mahmudul hasan
সোনারবাংলা ২৪ নিউজ একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। আমরা আইনীভাবে বাংলার খবর শেয়ার করছি। আমরা বর্তমানের খবরের সাথে মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছি।

0 coment rios: