এবার কঠোর লকডাউনে সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকলেও চলবে শিল্প কারখানা।
শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করেই চট্টগ্রামে শিল্প কারখানা চালু রাখা হবে বলে জানিয়েছেন মালিকরা। পোশাক কারখানায় নজরদারি বাড়ানোর কথা বলছে বিজিএমইএ। করোনার সংক্রমণ রোধে সামাজিক দুরত্ব রক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
গত কয়েকদিনে চট্টগ্রামে করোনা শনাক্ত বাড়ার সাথে বাড়ছে প্রাণহানীও। অবস্থা মোকাবেলায় ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এক সপ্তাহের লকডাউন। সবকিছু বন্ধ থাকলেও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে খোলা থাকবে শিল্প কারখানা। স্বাস্থবিধি মেনেই প্রতিষ্ঠান চালানোর কথা জানান গার্মেন্টস মালিকরা।
শ্রমিকরাও বলছেন নিজেদের বাঁচাতেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করছেন তারা।
বিজিএমইএ বলছে,পূর্বের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পোশাকশিল্প কারখানা সচল থাকবে।
তবে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে না পারলে ভয়াবহতা বেড়ে যাবে বলে মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
করোনার ভয়াবহতা ঠেকাতে প্রশাসনকে আরো কঠোর হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।


0 coment rios: