রেকর্ডিং স্টুডিও না থাকায় প্রতিষ্ঠার ৩৩ বছরেও চালু হয়নি বগুড়া বেতার কেন্দ্র।
রেকর্ডিং স্টুডিও না থাকায় প্রতিষ্ঠার ৩৩ বছরেও চালু হয়নি বগুড়া বেতার কেন্দ্র। যদিও উত্তরাঞ্চলের মধ্যে প্রচার সক্ষমতার দিক থেকে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন কেন্দ্র এটি। স্থানীয় অনুষ্ঠান সম্প্রচার না হওয়ায় বঞ্চিত এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক কর্মী, কলাকুশলী ও সংবাদকর্মীরা।
সারাদেশের ৫ টি ১শ’ কিলোওয়াট উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বেতার কেন্দ্রের একটি বগুড়ায়। ১৯৮৭ সালে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের পাশে কাহালুর দরগাহাটে বেতার কেন্দ্র টি নির্মাণ করা হয়। ২৫ একর জায়গার উপর স্থাপিত কেন্দ্রটি নির্মাণে ব্যয় হয় প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টাকা।
আঞ্চলিক সংবাদ, অনুষ্ঠানমালা ও নাটক প্রচারের কথা থাকলেও নিজস্ব স্টুডিও না থাকায় প্রতিষ্ঠার ৩৩ বছরেও সম্প্রচারে আসেনি বেতারের এই কেন্দ্রটি। স্থানীয়রা বলছেন, গ্রামীন জনপদে এখনো গুরত্ব কমেনি রেডিও। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো থাকলেও এতো বছরেও বেতারের এই অংশটি চালু না হতাশ তারা।
নিজস্ব অনুষ্ঠান সম্প্রচারের দাবিতে সাংস্কৃতিক কর্মীসহ নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ একজোট হয়ে আন্দোলন করছেন দীর্ঘদিন। পালিত হয়েছে মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচী। তৌফিক হাসান ময়না, সভাপতি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বগুড়া।
সুলতান মাহমুদ রনি, প্যানেল চেয়ারম্যান, বগুড়া জেলা পরিষদ। তবে পূর্ণাঙ্গ সম্প্রচার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে জানিয়েছে জেলা প্রশাসক।
জিয়াউল হক, জেলা প্রশাসক, বগুড়া।
বেতার কেন্দ্রটি চালু হলে বগুড়ার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।


0 coment rios: