দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে এক লাখ রোহিঙ্গাকে খুব শিগগির ভাসানচরে স্থানান্তর করা হবে- আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে স্পষ্ট জানিয়ে দিলো বাংলাদেশ।
দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে এক লাখ রোহিঙ্গাকে খুব শিগগির ভাসানচরে স্থানান্তর করা হবে- আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে স্পষ্ট জানিয়ে দিলো বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গাদের জরুরি মানবিক সহায়তার জন্য ভার্চ্যুয়ালি আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। এসময় মিয়ানমারের প্রতিশ্রুতি না রাখার সমালোচনা ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় জাতিসংঘের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে বাংলাদেশ।
কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় নেয়ার তিন বছর পেরিয়ে গেছে। জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার হিসাবে, চলতি বছর তাদের ভরন পোষণে ১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। বছর শেষ হতে আর মাত্র দুই মাস বাকি থাকলেও দাতা দেশগুলোর কাছে থেকে সহায়তা এসেছে অর্ধেকেরও কম।
এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তাদের জন্য সহয়তা বাড়ানোর আহ্বান জানায় ইউএনএইচসিআরসহ বড় বড় দাতা দেশ।
সম্মেলন শেষে ব্রিফ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। সম্মলনে বাংলাদেশ বলছে, মিয়ামারের প্রতিশ্রুতি ভাঙার স্বভাব এবং তাদের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নীতিগত পদক্ষেপ না নেয়ার ফলে এখনো প্রত্যাবাসন শুরু সম্ভব হয়নি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চারপাশে বেড়া দেয়া এবং ১ লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্তানান্তরের ব্যাপারেও আর কোন ছাড় দেবে না বাংলাদেশ।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প পরিকল্পনার পাশাপাশি একইরকম পরিকল্পনা রাখাইনেও বাস্তবায়নের আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।


0 coment rios: