কাল থেকে বৃষ্টিপাত কমে আসতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে রূপ নেয়ার আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এটি কিছুটা দুর্বল হওয়ায় সমুদ্রবন্দরে চার নম্বর সংকেত নামিয়ে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। কাল থেকে বৃষ্টিপাত কমে আসতে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। এদিকে, বৃষ্টিপাত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অব্যাহত রয়েছে। বৈরি আবহাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে নৌযান চলাচল।
বঙ্গোপসাগরে গভীর নিন্মচাপটি এরিমধ্যে নিন্মচাপে রূপ নিয়েছে। এতে সাগর উত্তাল রয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে উপকূলীয় এলাকাসহ সারা দেশে।
খুলনায় স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারের উচ্চতা ৩ -৪ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে ঝড়ো হাওয়ার সাথে ভারী বৃষ্টি অব্যাহত।
২৪ ঘন্টায় পটুয়াখালীর খেপুপাড়া সর্বোচ্চ ২৫৪ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।
নিম্নচাপের প্রভাবে অস্বাভাবিক জোয়ারে বাগেরহাটের উপকূলীয় এলাকায় বসতঘরে পানি ঢুকেছে। তলিয়ে গেছে কয়েকশ চিংডির ঘের।
চট্টগ্রামে ২দিনের টানা বৃষ্টিতে কাতালগঞ্জ, বহদ্দারহাট, চকবাজার, হালিশহরসহ নগরীর গুরুত্বপূর্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পাহাড় ধসের আশঙ্কায় জেলা প্রশানের পক্ষ থেকে মাইকিংসহ বিভিন্ন প্রচারণা অব্যাহত।
বৃষ্টিতে বরিশালে প্রধান প্রধান সড়কসহ নগরীর অনেক এলাকা পানি। বৈরি আবহাওয়ায় ভোর ৫ টা থেকে স্থানীয় রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ।
গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে পদ্মা উত্তাল থাকায় শিমুলিয়া- কাঁঠালবাড়ি নৌরুটেও ফেরি চলছে না।
প্রায় দিনভর বৃষ্টিতে সূর্যেরও দেখা মেলেনি। রাজধানীর বেশ কিছু এলাকার রাস্তা পানিতে তলিয়ে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়েন নগরবাসী।
এমন অবস্থা আরো একদিন অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।


0 coment rios: