কঠোর লকডাউনে সাপ্তাহিক ঋণের কিস্তি আদায়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরতেছে এনজিওকর্মীরা।
মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে উঠেছে সাপ্তাহিক ঋণের কিস্তি। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই বাড়ি বাড়ি ঘুরতেছে সপ্তাহিক ঋণের কিস্তি আদায়ে এনজিওকর্মীরা । লকডাউনের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ আছে যে । সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। তারপরও সব এনজিও প্রতিষ্ঠান খোলা আছে। ছোটখাটো বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা ঋণ নিয়ে তাদের ব্যবসার কার্যক্রম চালান। করোনার তৃতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে মৃতু ও আক্রান্তের হার বাড়তে থাকায় সরকার দেশজুড়ে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে। ফলে সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যায় অনেক মানুষের। এমন পরিস্থিতিতে এনজিওর ঋণের কিস্তি দিতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন আয়ের ঋণগ্রহীতারা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচলের সরকারি নির্দেশনা থাকলেও এনজিওকর্মীরা ঋণগ্রহীতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কিস্তির টাকা আদায় করছেন। এতে বিপাকে পড়েছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষেরা একই তো পেটে খাবার নেই তারপর চেপেছে সাপ্তাহিক ঋণের কিস্তি । তাই তারা বিপাকে পড়েছে কোথায় যাবে। তাই এমনতো অবস্থায় সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষেরা সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ জানিয়েছে এমন অবস্থায় যেন ঋণের কিস্তির জন্য চাপ দেওয়া না হয় । ও ঋণের কিস্তি যেন বন্ধ রাখা হয় ।


0 coment rios: