সাত দিনের লকডাউন এর সব বন্ধ থাকলেও সাপ্তাহিক ঋণের কিস্তি বন্ধ না থাকায় বিপাকে পড়েছে নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।
লকডাউনে যেখানে তিন বেলা খাবার জোটে না সেখানে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা এনজিও ও সুদ কারবারিরা কিস্তির জন্য চাপ দেওয়া শুরু করায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কর্মহীন মানুষেরা। এনজিও থেকে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে ভ্যানগাড়ি কিনেছেন কিংবা ঋণের টাকায় ছোটখাটো ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেন এ ধরনের নানা পেশার নিম্ন আয়ের লোকজনের রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু ক্ষুদ্রঋণদানকারী সংস্থাগুলো তাঁদের এই দুর্দশা আমলে না নিয়ে কিস্তি আদায় অব্যাহত রেখেছে বলে দেশের কোনো কোনো স্থানে লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। কিস্তি আদায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার জন্য কোথাও কোথাও ঋণগ্রহীতাদের পক্ষ থেকে দাবি তোলা হয়েছে। যখন মানুষ ক্ষুধার সঙ্গে লড়াই করছে, তখন তাদের ওপর এই বাড়তি চাপ প্রয়োগ করা অমানবিক বলে আমরা মনে করি। ক্ষুদ্রঋণদানকারী সব সংস্থার প্রতি আমাদের আহ্বান; আপনারা কিছু সময়ের জন্য ঋণের কিস্তি আদায় স্থগিত রাখুন। সরকারেরও উচিত হবে কেন্দ্রীয়ভাবে এ রকম একটি নির্দেশনা জারি করা। করোনা ভাইরাস মোকাবিলার স্বার্থে সারা দেশে মানুষের চলাফেরা ন্যূনতম পর্যায়ে নামানোর চেষ্টা চলছে। প্রায় সব ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। ফলে স্বল্প আয়ের যেসব মানুষের জীবন চলে দৈনিক রোজগারের ভিত্তিতে, তাঁরা বেশ সংকটে পড়ে গেছেন। তাঁদের মধ্যে যাঁরা বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে ক্ষুদ্রঋণ নিয়েছেন, তাঁদের সংকট আরও গুরুতর। কারণ, নির্দিষ্ট সময় পরপর তাঁদের ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হয়। এখন যখন দৈনিক আহার জোগানোর পথই বন্ধ হয়ে গেছে, তখন ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা কীভাবে সম্ভব?
Tuesday, April 6, 2021
Author: md mahmudul hasan
সোনারবাংলা ২৪ নিউজ একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। আমরা আইনীভাবে বাংলার খবর শেয়ার করছি। আমরা বর্তমানের খবরের সাথে মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছি।


0 coment rios: