১৪ই এপ্রিল থেকে বের হ্ওয়া যাবে না রাস্তায়।
পুরোপুরি বন্ধ রাখা হবে যানবাহন, কলকারখানা ও সরকারী-বেসরকারী অফিস। মোড়ে মোড়ে সতক পাহারায় থাকবে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, কঠোরভাবে লকডাউন বাস্তবায়ন করতে প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। সংক্রমন কমিয়ে আনতে লকডাউনের সময়সীমা ২৮দিন করার পরামশ দিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষকে ঘরে রাখতে টহল বাড়াতে হবে বিজিবি ও সেনাবাহিনীর।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বে-নজির আহমেদ বলেছেন, সংক্রমন কমিয়ে আনতে সবকিছু বন্ধ রাখা ছাড়া উপায় নেই। লকডাউনের বদলে স্বাস্থ্য জরুরী অবস্থা জারি করে মানুষকে ঘরে রাখার পরামশ তার।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, দ্বিতীয় দফার লকডাউন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করবে সরকার। যেখানে জরুরী সেবা ছাড়া আর কোন কিছুই খোলা থাকবে না।
মার্কেট খোলার দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীর বিপনি-বিতানগুলোতে মানুষের চাদ রাতের মতো ভিড় ছিলো।প্রথম দফার লকডাউনের ৫ম দিনে রাজধানীর সড়ক থেকে বিপনি-বিতান সবত্র চলছে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা।
জীবিকার তাগিদে নিরন্তর ছুটে চলা মানুষ, রোগের চাইতে এখন টিকে থাকার সংগ্রামকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। যার ফলে, বাড়ছে করোনা রোগী, ঘোষণাই সীমাবদ্ধ লকডাউন।


0 coment rios: