এখানকার আমগাছগুলো এখন ছেয়ে গেছে মুকুলে। আর মুকুল আসার পর থেকেই ব্যস্ত সময় পার করছেন আম চাষী ও বাগান মালিকরা। প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না হলে আশানুরুপ আম উৎপাদন হবে এমন আশায় সংশ্লিস্টরা । দিনাজপুরের বিভিন্ন স্থানে বানিজ্যিকভাবে হাড়িভাঙ্গা আমের চাষ করা হচ্ছে । বাজারে এই আমের চাহিদা থাকায় আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন আমচাষী ও বাগান মালিকরা। এ কারণে প্রতিবছরই এ জেলায় বাড়ছে হাড়িভাঙ্গা আমের বাগান। হাড়িভাঙ্গা আম বাগানের সারি সারি গাছে শোভা পাচ্ছে কেবলই মুকুল। মুকুল আসার পর থেকেই গাছ পরিচর্যা শুরু করেছেন আম চাষি ও বাগান মালিকরা । প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না হলে আমের বাম্পার ফলনের আশায় তারা। রোগবালাইয়ের আক্রমন থেকে মুকুল রক্ষায় আমচাষীদের প্রয়োজনীয় ওষুধসহ সব ধরনের সহায়তা করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে এ বছর দিনাজপুরে হাড়িভাঙ্গা আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫১ হাজার মেট্রিক টন ।
Friday, March 19, 2021
Author: Md mahmudul hasan babu
সোনারবাংলা ২৪ নিউজ একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। আমরা আইনীভাবে বাংলার খবর শেয়ার করছি। আমরা বর্তমানের খবরের সাথে মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছি।


0 coment rios: