শেরপুরের চাষিরা ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পাড় করছেন।
শেরপুরের চাষিরা ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পাড় করছেন। চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজার দরও ভালো পাওয়া কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি। জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ হাজার ১৩৫ হেক্টর বেশী জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ হয়েছে। এতে তিন দফায় বন্যার পরও কৃষকরা তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে আশা জেলা কৃষি বিভাগের।
এ বছর শেরপুর জেলায় আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯১ হাজার ৩শ হেক্টর। এ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে জেলায় আবাদ হয় ৯২ হাজার ৪৯৫ হেক্টর জমিতে। আর ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে ৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৭শ মেট্রিক টন। পোকা-মাকড়ের আক্রমণ না থাকায় ফলনও বেশ ভাল হয়েছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে এরইমধ্যেই আমন ধান কাটাও শুরু হয়েছে।
চাষিরা জানান, এ পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই শুরু হয়ে যাবে পুরোদমে ধান কাটা। বাজারে বর্তমানে হাইব্রিড মোটা ধান ১ হাজার থেকে ১১শ টাকা মণ দরে এবং পাইজাম ধান সাড়ে ১১শ টাকা থেকে ১২শ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
কৃষি বিভাগ জানায়, জেলায় বন্যার কারণে আমন ধান রোপনে দেরি হলেও পোকা-মাকড়ের আক্রমণ না থাকায় ভালো ফলন হয়েছে। শুকনো অবস্থায় হেক্টর প্রতি ৫ দশমিক ৮২ মেট্রিক টন ধান পাওয়া যাচ্ছে। ফলে আবাদের লক্ষ্যমাত্রার মতো উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাও ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা তাদের।
চলতি বছর জেলায় তিন দফার বন্যায় ক্ষতি হয়েছে অন্তত ২৫ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকার ফসল। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় জেলার ২০ হাজার ৫৫০টি কৃষক পরিবার।


0 coment rios: