শিশু গৃহকর্মীর লাশ রেখে পালানোর সময় কিশোরগঞ্জে স্বামী-স্ত্রী কে আটক করে এলাকাবাসী ।
পরিবারের স্বচ্ছলতার আশায় সাত বছরের মরিয়মকে এক দম্পতির কাছে দিয়েছিলেন দিনমজুর বাবা। তারা কথা দিয়েছিলেন তাদের সন্তানদের খেলার সঙ্গি হবে মরিয়ম। কিন্তু মাসের ব্যবধানে ফিরিয়ে দেয়া হলো ছোট্ট শিশুর নিথর দেহ, আর শরীরে শুধু আঘাতের ক্ষত। এ ঘটনা ঘটেছে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে। বুধবার ওই দম্পতি শিশুটির লাশ নিয়ে হোসেনপুরে গেলে জনতা তাদের আটক করে পুলিশে দেয়।
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার বীর পাইকসা গ্রামের অটোরিকশা চালক সিরাজুল ইসলামের মেয়ে মরিয়ম। নিতান্ত গরিব বলে নিজ শিশুকে কুমিল্লার ওই বাসায় দিয়েছিলেন। আদরের মরিয়ম বাবা-মায়ের কাছে ফিরলো, কিন্তু লাশ হয়ে।
প্রতিবেশি নূর উদ্দিনের মেয়ে জান্নাতুল নাইম তার সন্তানদের সঙ্গে খেলাধুলার করতে দুই মাস আগে মরিয়মকে স্বামীর বাসা কুমিল্লায় নিয়ে যায়। সেই বাসাতেই দিনের পর দিন নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা যায় শিশুটি। পরিবারের লোকজন জানিয়েছে, গেল দুই মাসে শিশুটির বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি ওই দম্পতি। ফোন করলে জানাত মরিয়ম ভাল আছে।
মরিয়মের বাবা সিরাজুল ইসলাম ও মা কুলসুম বেগম।
শিশুটির অসংখ্য ক্ষত চিহ্ণ থাকায় নির্যাতনে মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা পুলিশের।
আবদুল মতিন, উপ-পরিদর্শক, হোসেনপুর থানা।
ময়নাতদন্তের জন্য শিশু মরিয়মের লাশ এখন কিশোগরঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে।


0 coment rios: