রায়হানের মরদেহ উত্তোলনের জন্য বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় আখালিয়া নবাবী মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থান পৌঁছান সংশ্লিস্ট কর্মকর্তারা। ৯ টা ২০ মিনিটে কবর খোড়া শুরু হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেজবাহ উদ্দিন ও সজিবুর রহমান, পিবিআইর এসপি খালেদুজ্জামান এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সকাল ১০ টা নাগাদ মরদেহ উত্তোলন করা হয়। পরে মরদেহটি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়।
এদিকে, কোতয়ালী মডেল থানায় প্রথম ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। শরীরে অতিরিক্ত আঘাতের কারণে রায়হানের মৃত্যু হয় বলে জানান ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. শামসুল ইসলাম।
এই মামলায় এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি, মূল আসামি আকবরও নিখোঁজ। দায়ীদের গ্রেপ্তারে সীমান্তে নজরদারির সিদ্ধান্ত জানালেন পিবিআই প্রধান।
এর আগে বুধবার রায়হানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে পুনরায় ময়নাতদন্তের অনুমতি দেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম।
তবে পুলিশী ততপরতার মধ্যেও ক্ষোভ থামেনি সিলেটবাসীর।
গত রবিবার সিলেট নগরীর আখালিয়া নেহারীপাড়ার বাসা থেকে মধ্যরাতে রায়হান উদ্দিনকে তুলে আনে বন্দরবাজার ফাঁড়ি পুলিশ। পরে ভোরে রায়হানের মরদেহ সিলেট ওসমানী মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়। এঘটনায় ফাঁড়ির ইনচার্জ আকবর হোসেনসহ দায়িত্বরত চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।


0 coment rios: