বাসাবাড়ি-ফ্লাট থেকে বর্জ্য সংগ্রহের নীতিমালায় নানা ফাঁক-ফোকঁর রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বাসাবাড়ি-ফ্লাট থেকে বর্জ্য সংগ্রহের নীতিমালায় নানা ফাঁক-ফোকঁর রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এমন সুযোগে শুধু খালি ফ্লাট কিংবা বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলো। এমন অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে নীতিমালা সংশোধনের কথা জানিয়েছে দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ। তবে অনিয়ম-দূর্নীতি ঠেকাতে বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহের দায়িত্ব সিটি করপোরেশনকেই নিতে হবে বলে মনে করেন নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবাল হাবিব।
অভিযোগ আছে বর্জ্য সংগ্রহের কাজও এখন ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতা-কর্মীর নিয়ন্ত্রণে। তারা টাকা আদায় করে ইচ্ছেমতো, আর এতে সিটি কর্পোরেশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই বলেও অভিযোগ আছে। এই পরিস্থিতিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে ও রাজস্ব আয় বাড়াতে চলতি বছরেই বাসা বাড়ি/ফ্লাট থেকে বর্জ্য সংগ্রহ নীতিমালা করে টেন্ডার দেয় ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন।
কথা ছিলো বাসাবাড়ি কিংবা ফ্লাট থেকে বর্জ্য সংগ্রহে মাসে একশ টাকার বেশি ফি আদায় করতে পারবেন না ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।কিন্তু এমন আদেশ মানছেন না কেউই।আবার ব্যানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে বর্জ্য সংগ্রহের ফি আদায়ে নেই কোন সীমারেখাও।
বাসাবাড়ি/ফ্লাট থেকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ফি আদায়ের পরিমান নির্ধারণ করা আছে । কিন্তু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ঠিক কত টাকা আদায় করতে হবে তা নীতিমালায় নেই।
এদিকে অনিয়ম ঠেকাতে বর্জ্য সংগ্রহের দায়িত্ব সরাসারি সিটি করপোরেশনকেই নিতে হবে বলে মনে করেন নগর পরিকল্পবাবিদ ইকবাল হাবিব।ইকবার হাবিব ,নগর পরিকল্পনাবিদ
ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন জানিয়েছে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নীতিমালা সংশোধন করা হবে। এয়ার কমডোর মোঃ বদরুল আমি
শুধু তাই নয় - যাত্রাবাড়ী মাতুয়াইলে সিটি কর্পোরেশনের ময়লার ডিপোতে ভাঙ্গারি ব্যবসা খুলেছে সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কিছু কর্মকর্তা এবং কর্মচারী।


0 coment rios: