বিহিত পূজা, অঞ্জলি, দর্পন বিসর্জনের মধ্যদিয়ে বিদায় জানানো হয় দেবী দূর্গাকে।
বিহিত পূজা, অঞ্জলি, দর্পন বিসর্জনের মধ্যদিয়ে বিদায় জানানো হয় দেবী দূর্গাকে। তাই মণ্ডপ গুলোতে দেবী বিদায়ের সুর। সনাতন ধর্ম মতে এই দিন দূর্গার শুভশক্তির কাছে পরাজিত হয়েছিল অশুভ শক্তি। তাই নিজের মধ্য বসবাসকারী সকল অশুভ-অকল্যাণকে বধ করতে দেবির কাছে প্রার্থনা করেছেন ভক্তরা।
পাঁচ দিনব্যাপি দূর্গা পূজার নানা আয়োজন। শেষ দিনে দিবালয় থেকে কৈলাসে ফিরে যান দেবী দূর্গা। তাই সকাল শুরু হয় বিহিত পূজা দিয়ে।
অঞ্জলি দান শেষে প্রধান পুরোহিত জানান এবার দেবী ফিরে যাচ্ছেন গজে চড়ে তাই শষ্য-ফসলে পরিপূর্ণ হবে বছর।
দেবীর বিদায় বেলায় ভক্তদের মনে বিষাদের সুর। জানান প্রতিবারের ন্যায় এবার হয়নি জাকজমক আনুষ্ঠানিকতা।
দর্পন বিসর্জন করে দেবী দূর্গাকে বিদায় জানানোর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। যা শেষ হয় ঘাট বিসর্জনের মধ্যদিয়ে। এসময় স্বল্প সংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে সীমিত পরিসরে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের পুকুরেই দেয়া হয় ঘাট বিসর্জন।
পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্যরা জানান, বিদায়ের আগে দেবি নিজের ভেতরের অশুভ শক্তিকে বধ করার শিক্ষা দিয়ে গেলেন।
করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে এবছর দেবী বিসর্জনের শোভাযাত্রা না করায়, মণ্ডপ কমিটি নিজ দায়িত্বে দেবি বিসর্জন করবেন।


0 coment rios: