দিনাজপুরের লিচু বাজারে উঠতে শুরু করেছে।
দিনাজপুরের লিচু বাজারে উঠতে শুরু করেছে। বাগানীরাও গাছে গাছে লিচু পারতে ব্যস্ত সময় পার করছে। বর্তমানে বেদানা, মাদ্রাজী লিচু পেকেছে। তবে এবার লিচুর ফলন কম হওয়ায় বেশ বিপাকে রয়েছেন বাগানীরা। দাম ভাল থাকায় ক্ষতি কিছুটা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে মনে করেন অনেকে। স্থানীয় কৃষি অফিস বলছে বৈরী আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারনে এবারে ৩০ শতাংশ লিচু কম হয়েছে।
লিচুর জন্য বিখ্যাত দিনাজপুর জেলা। এরই মধ্যে গাছে গাছে পাকতেও শুরু করেছে লিচু। এ জেলায় সদর, বিরল, কাহারোল, বীরগঞ্জ উপজেলায় লিচুর আবাদ বেশি হয়ে থাকে। মাদ্রাজী, বম্বাই, বেদানা, চায়না থ্রী, হাড়িয়া, কাঁঠালীসহ বিভিন্ন জাতের লিচু হয় এ জেলায়। বর্তমানে মাদ্রাজী ও বেদানা জাতের লিচু পাকায় বাগানীরা তা সংগ্রহ করছে। দিনাজপুরে এবার বৈরী আবহাওয়ার কারনে লিচুর ৩০ শতাংশ ফলন বিপর্যয় হয়েছে। তবে বাজারে লিচুর দাম ভালো বলে জানায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
কৃষি বিভাগের তথ্য মতে এ জেলায় প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমিতে লিচু বাগান রয়েছে এবং এই বাগান গুলো থেকে প্রতিবছর লিচু উৎপাদন হয় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন। বাজারে প্রতি হাজার মাদ্রাজী লিচু বিক্রি হচ্ছে ১৫শ থেকে আড়াই হাজার টাকা এবং বেদানা জাতের লিচু সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা দরে। সবচেয়ে বেশি পরিমানে বম্বাই লিচু এখানে আবাদ হলেও তা পাকতে এখনো সময় লাগবে প্রায় এক সপ্তাহের মত। তবে এবার লিচুর ফলন কম হওয়ায় বেশ দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বাগানীরা। তাবে কেউ কেউ ক্ষতির আশঙ্কা করলেও অনেকে বলছেন আশানুরুপ দাম পেলে এই ক্ষতি অনেকটা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।


0 coment rios: